বসন্তে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার 1

বসন্তে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার

বসন্ত স্পর্শে জেগে উঠেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মুহুর্ত কাটাতে সৈকতে এখন ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড়। বসন্তের আমেজ পেতে অগণিত পর্যটক দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন কক্সবাজারে। সকাল থেকে সৈকতের ছয়টি পয়েন্ট পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। শুধু সৈকত নয়; চার শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্টে পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়। পর্যটকদের সরব উপস্থিতি সৈকত শহরকে যেন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।

এখানে বেড়াতে আসা আঁখি ও সৌরভ দম্পতি বলেন, ‘সাগরের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারে ছুটে আসা। সাথে যুক্ত হয়েছে বসন্ত ও ভালবাসা দিবস। সবমিলিয়ে প্রিয়জনের সাথে সময়টা ভালই কাটছে।’

ইসমত আরা নামে এক পর্যটক বলেন, ‘আজ পহেলা ফাল্গুন উপভোগ করছি প্রিয়জনের সাথে। প্রিয়জনের সাথে সময় কাটাতেই কক্সবাজার ছুটে আসা। অনেকের মতো আমরাও এসেছি। অনেক ভালো লাগছে।’

আরেক পর্যটক শিহাব করিম বলেন, ‘কক্সবাজার এমন একটি জায়গা যেটা পুরানো হয় না। বার বার আসলে মনে হয় যে আবার নতুন করে এসেছি।’

এদিকে বসন্তের ছোঁয়া লেগেছে সৈকত এলাকার ব্যবসায়ীদের মাঝেও। বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমনে বেচা-বিক্রিতে সরগরম লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টের বার্মিজ মার্কেটগুলো। ফলে ভাল ব্যবসা হওয়ায় দারুণ খুশি তারা।

সুগন্ধা পয়েন্টে ঝিনুক ব্যবসায়ী রহিম বলেন, ‘এখন প্রতিদিনই প্রচুর পর্যটক কক্সবাজারে আসছে। ফলে বেচা-বিক্রিও ভালো হচ্ছে।’

বার্মিজ মাকের্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিমু বলেন, ‘পর্যটন মৌসুমে ব্যবসা ভালই যাচ্ছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিনও কাটছে আমাদের।’

হোটেল মোটেল জোন, পর্যটন স্পট ও সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফখরুল ইসলাম জানান, বিশেষ দিবসে যাতে আগত পর্যটকদের কোন ধরণের হয়রানি কিংবা দূর্ঘটনায় কবলে না পড়তে হয়, তার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দে সবখানে নিরাপদে ঘুরাফেরা করতে পারছেন।

আগামী একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা বিপুল সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে অবস্থান করবে- জানিয়েছে কক্সবাজারের হোটেল মোটেল মালিক সমিতি।

রাইজিংবিডি

Add your comment

Your email address will not be published.