নওগাঁয় কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা গ্রহিতার সংখ্যা বাড়ছে 1

নওগাঁয় কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা গ্রহিতার সংখ্যা বাড়ছে

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর চিকিসাসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো অনবদ্য ভূমিকা পালন করছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসার মূল আশ্রয়স্থল হচ্ছে এসব কমিউনিটি ক্লিনিক। ক্রমেই এসব ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা গ্রহিতার সংখ্যা বাড়ছে।

নওগাঁ জেলায় ৯৯টি নইউনিয়নে মোট ৩শ ৩টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে ৩শ ১টি ক্লিনিক চালু রয়েছে। এক বছরে এসব ক্লিনিকে মোট ১২ লক্ষ ১৯ হাজার ৯শ ৬৪ জন রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছে। ২টি ক্লিনিক বন্ধ রয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ রোগী ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৯শ ১৪ জন, মহিলা রোগী ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ১শ ২৯ জন এবং শিশু রোগী ৭৭ হাজার ৯শ ২১ জন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে এ সংখ্যক রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে।

নওগাঁ’র সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মুমিনুল হক-এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী উপজেলা ভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিকে সেব্ াপ্রাপ্ত রোগীদের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৩১টি ক্লিনিকের সবগুলো চালু রয়েছে। এসব ক্লিনিকে ৪৮ হ্জাার ৮শ ৩৯ জন পুরুষ, ৬৪ হাজার ৯শ ৫২ জন মহিলা ও ৮ হাজার ৯শ ৮২ জন শিশুসহ মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৭শ ৮৩ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

আত্রাই উপজেলায় মোট ২৬টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩৪ হাজার ৪শ ৬৬ জন পুরুষ, ৪১ হাজার ৪শ ৭৫ জন মহিলা ও ৬ হাজার ৮শ ৫৫ জন শিশুসহ মোট ৮২ হাজার ৭শ ৯৬ জন রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

বদলগাছি উপজেলায় ২৬টি ক্লিনিকে ৩৬ হাজার ৮শ ২৬ জন পুরুষ, ৬৬ হাজার ১৪ জন মহিলা ও ৫ হাজার ৫শ ৫৯ জন শিশুসহ মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৩শ ৯৯ জন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ধামইরহাট উপজেলায় মোট ২১টি কমিউনিটি কিèনিক রয়েছে। এখানে গত এক বছরে ৩১ হাজার ১শ ১০ জন পুরুষ, ৩৬ হাজার ৩শ ২০ জন মহিলা ও ৪ হাজার ৯শ জন শিশুসহ মোট ৭৩ হাজার ৩শ ৩০ জন রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

মান্দা উপজেলায় মোট ক্লিনিক রয়েছে ৪৮টি। এর মধ্যে ৪৭টি ক্লিনিকে এ সময়ে ৯৩ হাজার ৯শ ৩১ জন পুরুষ, ১ লাখ ২১ হাজার ২শ ৬১ জন মহিলা ও ১২ হাজার ৮শ ১৪ জন শিশুসহ মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৬ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

মহাদেবপুর উপজেলায় মোট ৩৬টি ক্লিনিকে ৮৯ হাজার ৮শ ৫৮ জন পুরুষ, ১ লাখ ৭ হাজার ৯শ ৮৫ জন মহিলা ও ১৩ হাজার ২শ ৯৫ জন শিশুসহ মোট ২ লাখ ১১ হাজার ১শ ৩৮ জন রোগীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

পতœীতলা উপজেলায় মোট ৩১টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে ৩০ ক্লিনিকে ৫৭ হাজার ৯শ জন পুরুষ, ৭১ হাজার ৩শ ৯৬ জন মহিলা ও ৯ হাজার ৫শ ৫১ জন শিশুসহ মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮শ ৪৭ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

নিয়ামতপুর উপজেলায় মোট ৩০টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ২৭ হাজার ৩শ ৭৭ জন পুরুষ, ২৪ হাজার ২শ ৭৯ জন মহিলা ও ৪ হাজার ১ জন শিশুসহ মোট ৫৯ হাজার ৬শ ৫৭ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

পোরশা উপজেলায় মোট কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে ১২টি। এগুলোতে বিগত এক বছরে ২৫ হাজার ২শ ২০ জন পুরুষ, ২৬ হাজার ৩শ ১০ মহিলা ও ৩ হাজার ৫শ জন শিশুসহ মোট ৫৫ হাজার ৩০ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

রানীনগর উপজেলায় মোট ক্লিনিকের সংখ্যা ২৩টি। সবগুল্ োচালু রয়েছে। এসব ক্লিনিকে এক বছরে ৩৩ হাজার ১শ ৮৬ জন পুরুষ, ৪১ হাজার ১৭ জন মহিলা ও ৪ হাজার ৫শ ৪৪ জন শিশুসহ মোট ৭৮ হাজার ৭শ ৪৭ জন রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

সাপাহার উপজেলায় মোট কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে ১৭টি। সবগুলো চালু রয়েছে। এসব ক্লিনিকে বিগত এক বছরে ২৮ হাজার ২শ ১ জন পুরুষ, ২৯ হাজার ১শ ১০ জন মহিলা ও ৩ হাজার ৯শ ২০ জন শিশুসহ মোট ৬১ হাজার ২শ ৩১ জন রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সুত্র : বাসস

Add your comment

Your email address will not be published.