এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের কাজ শেষ জুনে 1

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের কাজ শেষ জুনে

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের কাজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বনানী রেল স্টেশন পর্যন্ত এ বছরের জুন মাসেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় ধাপ বনানী রেলস্টেশন থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং পর্যন্ত আগামী বছরের জুলাই মাসে এবং তৃতীয় বা শেষ ধাপ মগবাজার রেল ক্রসিং থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সম্পন্ন হবে।

তবে ২০২০ সালের জুন থেকেই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা পাবে নগরবাসী। কারণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ হলে উড়াল সড়কটির আংশিক শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মগবাজার রেল ক্রসিং পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

বুধবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

পরিদর্শনকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক এ এইচ এম শাখাওয়াত আকতার ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাকসিথ সোয়ানাগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, অর্থায়নের সমস্য ছিল। এখন এক্সিম ব্যাংক অব চায়না গত জানুয়ারি মাসে ৮৬১ মিলিয়ন ইউএস ডলার অনুমোদন করেছে। সঙ্গে আছে আইসিবিসি, তারা আরও ৪০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার অনুমোদন করেছে। এখন আর অর্থায়নের কোনো সমস্যা নাই। মার্চ নাগাদ সব টাকা এসে যাবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জুনের আগেই প্রথম ফেজের কাজ শেষ হবে। দ্বিতীয় ফেজ ২০২০ সালের জুলাই নাগাদ হয়ে যাবে। আর তৃতীয় ফেজ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। অর্থাৎ তিন ধাপের কাজ শেষ হবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে।’

তিনি জানান, প্রথম ধাপের কাজ ৫০ ভাগ, আর মোট কাজের অগ্রগতি ২০ ভাগ। ১ হাজার ৩০৪টি পাইল, ২৮০টি পাইল ক্যাপ, ৬২টি ক্রস-বিম, কলাম ১৬৩টি (সম্পূর্ণ) ও ৮৪টি (আংশিক) এবং ১৮৬টি আই গার্ডার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া দুটি স্প্যান আই গার্ডার স্থাপনের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ফেজ সম্পন্ন হলে অপারেশনটা আমরা করতে পারব। প্রথম ফেজ ফিজিবল হবে না। আগামী বছর জুলাই নাগাদ দ্বিতীয় ফেজের কাজ শেষ হলে অপারেশন শুরু হয়ে যাবে। প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে।’

আট হাজার ৯৪০ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন প্রায় ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে মিলিত হবে।
সুত্র : রাইজিংবিডি

Add your comment

Your email address will not be published.